Tuesday, May 28, 2013

রোধ বিরোধ



(নিম্নোক্ত গল্পটির চরিত্রগুলো কাল্পনিক। গল্পটির সাথে কারও ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা জড়িয়ে থাকলে, তা কাকতালীয়; ইচ্ছাকৃত নয়)
 


“তোমার টিফিন বক্স টেবিলে, ব্যাগে ঢুকিয়ে নাও”, অনিমার রোজকার এক রুটিন, স্বামীর অফিস বেরোনোর আগে টিফিন রেডি করে দেওয়া। তাও তো ছেলে তপুর কলেজের পরীক্ষা সবে শেষ হয়েছে, ওর কলেজ যাওয়া নেই বলে সকালটা অনিমা একটু শান্তিতে কাজ করতে পারে। ছেলে আর স্বামী একসাথে সকালে তাড়া দিতে থাকলে, দম ফেলার উপায় থাকে না অনিমার। যাদবপুর ঝিল রোডের কাছে তিনজনের সংসার। সুখী সংসার বলব কি? ওই, মধ্যবিত্ত বাঙ্গালীর সুখী সংসার বলতে যা বোঝায়! 
স্বামী অসীম এক সরকারি অফিসের কর্মচারী। পঁচিশ বছরের কর্মজীবনে খুব যে পদোন্নতি করেছে অসীম, তা নয়। আসলে সবকিছুই কিরকম ঝামেলা মনে হয় অসীমের। অফিসের কাজ, সংসারের দায়িত্ব, সবই কিরকম বোঝা। সবই তবু করছে, কারন করতে হবে, সংসার আছে, ছেলে- বৌ আছে। কেবল যে জিনিসটায় অসীমের কখনও বিরক্তি আসে না, তা হল নিজের মত কবিতা লেখা। অসীমের কোনও কবিতা কোনোদিন কোথাও ছাপেনি, অসীম চেষ্টাও করেনি, ওই, মধ্যবিত্ত বাঙ্গালীর সবকিছুতেই কুণ্ঠাবোধ। সবসময়ই মনে হয়েছে, আমার লেখা ভালো নয়; বাড়ির লোক , বন্ধুরা এইসব নিয়ে খিল্লি করতে পারে। যে কাগজগুলোতে অসীম লিখত, তা বাড়িতে এক ট্রাঙ্কে খুব যত্নে লুকিয়ে রেখেছে ও। ট্রাঙ্কের চাবি সবসময় নিজের কাছে রাখে। শেষ কয়েকবছরে অবশ্য একটা সুবিধা হয়েছে, তপু খুব জোর করেই হাতে একটা মোবাইল ফোন ধরিয়ে দিয়েছে। এখন অফিসের ফাইলে বিরক্তি এলে, মোবাইলে ছোটো ছোটো কথা লেখে অসীম। কাউকে পাঠায় না সেই কথাগুলো, সেভ করে রাখে। কাকে পাঠাবে? কে বুঝবে এই কথাগুলো? যৌবনে পা দেওয়ার পর থেকেই অসীমের খুব ইচ্ছে ছিল,  নিজে নিজের মত সারাটা জীবন কাটাবে, ঘুরে বেড়াবে, লিখবে। কিন্তু, সেই গলায় গামছা দিয়ে বিয়েও করতে হয়েছে, বাচ্চাও তৈরি করেছে, চলছে সবই। কিন্তু আরও তো একটা কারন ছিল নিজের মত থাকার! সেটা কোনোদিন কাউকে জানায়নি অসীম, বলতে পারেনি। শুধু নিজের মধ্যে এক হীনমন্যতা নিয়ে বাস করে, সবাইকে অসীম সুখী করতে পেরেছে তো? কাউকে ঠকায়নি তো? 
বাড়ি থেকে অফিসের জন্য বেরিয়ে রীতিমত ছুটতে হয় অটো ধরার জন্য। প্রতিদিনের মত আজও অটো স্ট্যান্ডে এসে অসীম দেখল এক বিশাল অটোর লাইন। লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ল সে। নাকে হঠাৎ বেশ উগ্র কিন্তু সুন্দর পুরুষালী গন্ধ এলো, অসীম বুঝতে পারল যে লাইনে তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটি আজ পুরো শিশি গায়ে ঢেলে এসেছে। ছেলেটিকে দেখলে বোঝা যায় সেক্টর পাঁচ এর কোনও অফিসে কাজ করে। অসীম ভাবতে লাগল, তাহলে নিশ্চয়ই অফিসের কোনও সুন্দরী মহিলার দৃষ্টি এবং ঘ্রাণ দুইই আকর্ষণ করার জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে ছেলেটি। ছেলেটি অটোর লাইনে দাঁড়িয়ে অনর্গল মোবাইলে একটার পর একটা কল নিতে থাকল। অসীমের শেষমেশ সেই ছেলেটির সাথে একই অটোতে জায়গা হল, সৌভাগ্য না দুর্ভাগ্যক্রমে, সেটা অসীম আর ওই ছেলেটি কারোরই জানা ছিল না।  ছেলেটির পাশে বসে অসীমের এক অদ্ভুত অনুভূতি হল। সেই অনুভূতিটা অসীম ঠিক মেলাতে পারছে না কিছুর সাথে কিন্তু বুঝতে পারছে যে এই অনুভূতিটা কোথাও যেন সে ফেলে এসেছিল আজ থেকে বছর পঁচিশ আগে। ছেলেটির পাশে বসে লক্ষ্য করল অসীম, ছেলেটি বেশ সুদর্শন এবং সুঠাম। অটোতে কেউই কোনও কথা বলছিল না। কেবল ছেলেটি চিৎকার করে ফোনে কাউকে নিজের মোবাইল নাম্বারটা দিচ্ছিল। অসীম শুধু ছেলেটির কথোপকথন শুনছিল, দৃষ্টি সামনের দিকে। ছেলেটি কিছুক্ষণ পরেই অটো থেকে নেমে যায়। অসীম অটোতে কিরকম একটা ঘোরের মধ্যে পড়ে রইল। নিজের স্টপেজে নামতে ভুলে গেলো, এক স্টপেজ আগে গিয়ে নামল সে।
অফিসে সেই লেটে পৌঁছানো, টেবিলে ফাইলের ভিড়, সবই সবার সয়ে গেছে। আজ সত্যি কাজে মন নেই অসীমের, ফাইলের গন্ধে যেন এখনও ছেলেটার গায়ের গন্ধ পাচ্ছে অসীম। সকাল এগারোটার চা এর পরেও কাজে মন বসছে না। পকেট থেকে মোবাইল ফোনটা বের করল সে, তাতে লিখল,
“পাঠিয়েছিলে গ্রীবার ঘ্রাণ,
আমার আঙুল তোমার পাঁজর গুনতে চেয়েছিল”


বাড়ি ফিরতে ফিরতে সেই সন্ধ্যে সাতটা। পথে একবার মদের দোকানে প্রায় প্রতিদিন দাঁড়াতে হয় অসীমকে, একটা কোয়াটার সস্তার হুইস্কি কিনে বাড়ি ফেরে সে। বাড়িতে সত্যি যে খুব ফেরার টান থাকে অসীমের, তা নয়। যৌবন নেই, এমন নয় যে বিছানার টান পড়ে আছে বাড়িতে। অনিমার জন্য মন কেমন করে? না, তাও নয়। তবে, নিজের ছেলেকে বেশিক্ষণ না দেখে থাকতে পারে না অসীম। সংসারে যদি আজও সে টিকে আছে, তা কেবল তপুর জন্য। বাড়ি ফিরে, গা ধুয়ে, মদ নিয়ে বসার আগেই সে তপুর সাথে একটু কথাবার্তা বলে নেয়, বাবা ছেলে সারাদিনের কর্মকাণ্ডের আলোচনা সেরে নেয়।  অনিমার সাথে প্রয়োজন ছাড়া সত্যি আজকাল আর বেশী কথা হয় না অসীমের। দুজনেই বুঝে নিয়েছে যে তাদের বাকি জীবনটা একসাথে থেকেও রেলের দুই লাইনের মত সমান্তরাল রয়ে যাবে। মদের সাথে সময়টা অসীম একাই কাটায়, বাড়ির কেউ তখন আর ওই ঘরে ঢোকে না। 
আজ দুই পেগ শেষ হয়ে যাওয়ার পর যখন নেশাটা একটু বেশ লেগেছে মনে হল অসীমের, নিজের মোবাইলটার দিকে হাত বাড়াল সে। ড্রাফ্‌ট খুলে দেখতে লাগল বারবার, আজ দুপুরে লেখা ওই দুটো লাইনকে, খুঁজতে লাগল আবার গন্ধটাকে। 
নেশার ঘোরে বিড়বিড় করে বেশ কয়েকবার অসীম আওড়ে ফেলে নাম্বারটা, অটোতে ছেলেটির মুখ থেকে শোনা। কিছু না ভেবেই, দুপুরে লেখা লাইন দুটো পাঠিয়ে দেয় ওই নাম্বারে।
রাত বারোটা বেজে গেছে। চারদিক খুব শান্ত।  অসীম শুতে গেলো।
রাত দুটো, অসীমের মোবাইলে এক ম্যাসেজ আসে।
পরের দিন সকালে বেশ তাড়াহুড়োর মধ্যে অফিস বেরোতে হয় অসীমকে। ফোনটা নিতে ভুলে যাচ্ছিল, অনিমা মনে করিয়ে দেয়। অফিস পৌঁছে জানতে পারে যে একটা ফাইল বড়বাবু খুব জলদি চেয়েছেন, তাই সেই ফাইলটা শেষ করতে লেগে যায় সে। বারোটা নাগাদ তপুর একটা ফোন আসে মোবাইলে, তার ক্রিকেটের নতুন জুতো লাগবে। একটা হালকা হাসি হেসে “হ্যাঁ” বলে মোবাইলটা কেটে দেয় অসীম আর তখনই লক্ষ্য করে একটা ম্যাসেজ এসেছে। খুলে দেখে, তাতে লেখা রয়েছে, “লাইন দুটো বেশ, আরও কিছু শুনতে চাই।” অচেনা নাম্বার। হঠাৎ অসীমের মনে পড়ে গেলো, গতরাতের সব ঘটনা। কিছুক্ষণ হতবাক হয়ে রইল সে, বুঝতে পারছে না ঠিক কি হল। 
সারা শরীরে একটা অদ্ভুত উত্তেজনা অনুভব করল অসীম, বেশ ভালো লাগছে আজ অসীমের সবকিছু, এমনকি অফিসের ফাইলগুলো। আজ অসীম খুশি খুব, কেন তা সে নিজেও ভালো করে জানে না।  
বাড়ি ফেরার পথে আজ চাইনিস কিনে নিয়ে যাবে সে, অনিমাকে রাতে রান্না করতে না করে দিল অসীম।


এক মাস পরে—
অসীম এখন লেট করে অফিস যায় না, অফিসের ফাইলগুলোকে আর ঘেন্না করে না। রাতে বাড়ি ফিরে মদ খায় না। ঠিক সময়ে  রাতের খাবার খেয়ে শুতে চলে যায় বাইরের ঘরে। অনিমার সাথে অসীম শেষ দুই বছর ধরে আর এক বিছানায় শোয় না। বাইরের ঘরে শুতে যাওয়ার মুহূর্তটার জন্য অসীম রোজ অপেক্ষা করে থাকে। এরপর অসীমের ম্যাসেজ আদানপ্রদান শুরু হয় সেই ছেলেটির সাথে, প্রতিদিন রাতে। 
ছেলেটির নাম শিশির, বয়স ত্রিশ, অবিবাহিত। শিশির ওর এক অফিসের মহিলা কলিগের সাথে প্রেম করে, নাম সুতপা এবং ওরা দুইজন একসাথে থাকে চিংড়িহাটার কাছে। এই কথা অসীম জানে। 
অসীম আর শিশির দুইজন কোনোদিন দেখা করেনি, দেখা করার কথা ওঠেওনি। এমনকি, ম্যাসেজের বাইরে কোনোদিন ফোনে দুজনের গলার আওয়াজও শোনেনি। ওরা দুইজন দুইজনকে ভালোবাসে বা প্রেম করে, এটা ঠিক বলা যায় না। তবে, দুইজন দুইজনের খুব কাছের বন্ধু হয়ে উঠেছে।  সামনাসামনি বসে একে অপরকে হয়ত অনেক কথাই বলা হয়ে ওঠে না যা একে অপরের অবর্তমানে বলতে পারে। অসীম কিন্তু কোনোদিন শিশিরকে জানায়নি যে সে কিভাবে শিশিরকে চিনল। অসীম শিশিরের কাছে কিছুই লুকায় না, কেন অসীমের নিজের যৌনতা নিয়ে সংশয় থাকা সত্ত্বেও বিয়ে করে, ওর সাথে অনিমার সম্পর্কের কথা, অসীম নিজের ছেলে তপুকে কতখানি ভালবাসে ইত্যাদি। শিশিরও নিজের সম্পর্কে কিছুই লুকায়নি। কেবল, ওদের দুইজনের বাড়ির কেউই জানে না এই সম্পর্কের কথা। শিশির অসীমের লেখার খুব ভক্ত হয়ে ওঠে, ওর মনে হয় যে একজন মানুষ যদি ওর সাথে প্রতিদিন দুই দণ্ড কথা বলে সুখী থাকতে পারে, তবে এই সম্পর্ককে সকলের অগচরে টিকিয়ে রাখার মধ্যে কোনও অন্যায় নেই।
এভাবেই চলতে থাকে, অসীমের জীবন, শিশিরের জীবন।


প্রায় এক বছর পরে-
অফিস থেকে এসে অসীম স্নান সারতে গেছে। বাইরে অসম্ভব বাজে গরম। টেবিলের ওপর মোবাইলটা অনর্গল বেজেই চলেছে। অফিসের কুণ্ডুবাবু ফোন করে চলেছেন। অনেকবার বাজার পর, তপু এসে ফোনটা ধরে। কুণ্ডুবাবু জানান যে ওনার স্ত্রীকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে হচ্ছে, রুবিতে, যদি অসীম একবার আসতে পারে। তপু বাবাকে জানাবে বলে রাখতে গিয়ে দেখে, একটা অচেনা নাম্বার থেকে ম্যাসেজ, “আজ রাতে সুতপার সাথে বাইরে ডিনারে যাব, কাল কথা হবে।”একজন বিশ বছরের ছেলের এরকম ম্যাসেজ দেখে যে কৌতূহল হয়, তপুরও তাই হল। ও ফোনের ইনবক্স খুলে দেখল, শুধু ওই নাম্বার থেকেই ম্যাসেজ, ম্যাসেজ গুলো তেমন কোনও প্রেমের বার্তালাপ নয়। তবে, সেন্ট আইটেম এ গিয়ে অসীমের পাঠানো ম্যাসেজগুলো দেখে তপু নির্বাক হয়ে যায়। সে পরিষ্কার বুঝতে পারে, অসীমের জীবনে কি চলছে। 
হঠাৎ, অসীম স্নানঘর থেকে বেরিয়ে আসে। তপু জানায়, কুণ্ডুবাবুর ফোনের কথা এবং অসীমের দিকে এক অব্যক্ত দৃষ্টি দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।


আরও এক বছর পর-
অনিমা এখন এক মানসিক হাসপাতালে থাকে। প্রায় আট মাস আগে তপু একদিন হঠাৎ বাড়ি থেকে চলে যায়, অনিমাকে সে কোনোদিন জানায়নি অসীমের কথা, শুধু জানিয়ে গেছে যে তার আর অসীমের সাথে এক ছাদের নীচে থাকা সম্ভব নয়। তপু অসীমের ড্রয়ারে একটা কাগজ রেখে গেছিল, তাতে শুধু লিখে গিয়েছিল, “তোমার, আমার মাকে ঠকানো ঠিক হয়নি। ফোন নাম্বার রইল, কোনোদিন ফোন করার চেষ্টা করবে না।” এই চিঠির কথা অসীম কোনোদিন অনিমাকে বলেনি।  সংসারে স্বামী থেকেও তার আদর থেকে চিরকাল বঞ্চিত হয়েছে অনিমা। কেবল মুখ বুঝে ছেলে মানুষ করে গেছে। সেই ছেলেকেই যখন অনিমা নিজের কাছে পেল না, যন্ত্রণা সয়ে সয়ে আজ তার আশ্রয় মানসিক রোগীদের সাথে।  অসীম অনেকবার তপুকে ফোন করে জানাতে চেয়েছে অনিমার কথা, কিন্তু ফোন বেজে গেছে, তপু ফোন ধরেনি।
অসীমের এই সাংসারিক অবস্থার কথা যেদিন শিশির জানতে পারে,  আর পারেনি ওদের সম্পর্কের কথা সুতপার কাছে লুকোতে। সুতপাও মেনে নেয়নি এই সম্পর্ককে। শিশির এখন একাই থাকে।
কিন্তু, এখন অসীম আর শিশিরের মধ্যে কোনও যোগাযোগ নেই।

দুপুরেই ম্যাসেজটা পেয়েছিল তপু, অসীমের নাম্বার থেকে, লেখা আছে শুধু, “আমি চললাম, মাকে দেখিস।” তখন থেকেই ওর মাথায় কি যেন একটা চলছে, অসীমকে ও কোনোদিনই মাফ করবে না, অসীমের ও মুখও দেখতে চায় না। কিন্তু এরকম ম্যাসেজ! 
রাত ১০ টা নাগাদ, তপু প্রায় এক বছর পর বাড়িতে ফেরে। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। প্রায় এক ঘণ্টা কোনও সাড়া না পেয়ে দরজার লক ভাঙ্গে। তপু এতক্ষনে বুঝে গেছে, ভেতরে কি হয়ে গেছে। ভেতরের শোওয়ার ঘরের পাখা থেকে অসীম গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। টেবিলে ট্রাঙ্কের চাবি আর একটা কাগজে লেখা, “তপু, তোর জন্য অনেক গল্প রেখে গেলাম। ট্রাঙ্কটা খুলে দেখিস।”


আরও দুই বছর পর-
একটা শপিং মলে এক বইয়ের দোকানে শিশির বই দেখছিল। হঠাৎ একটা বইয়ের দিকে ওর নজর গেলো, সদ্য প্রকাশিত বই,  
তপেন্দু দত্তের, “আমার বাবা”


(অটোতে, এক যুবকের সাথে, এক প্রৌঢ় সমকামী মানুষের সাক্ষাতের ঘটনাটি সত্যি। ঘটনাটি শুনে একসময় ভেবেছিলাম, এর ওপর সিনেমা বানালে কেমন হয়! তখনই একটা গল্পের খসড়া বানিয়ে রেখেছিলাম। সেটিই প্রকাশিত করলাম, সিনেমাটা আর হল না)
    

3 comments:

  1. Besh Bhalo.Besh Realistic touch ache.Kintu amader Deshe bisesoto Kolkatay ek modhyoboyosko songsari manush somokami somporke joriye porche,eta bhabte ektu iye lagche.
    Chaliye jayo.

    ReplyDelete
  2. হয়ত এটাই এই গল্পে নতুন কিছু

    ReplyDelete
  3. golpo ta khub bhalo likhechhen. cinema banale dibyi hobe. eta'r script konodin likhle janaben, sahajyo korte parle khushi hobo.

    ReplyDelete